মাত্র ১১ মাস আগে মেয়েটির বিয়ে হয়। শশুর বাড়ির পাশের থেকে একজনের ফোন পেয়ে বাবা মা গিয়ে দেখে মেয়ের মৃত্যু হয়েছে।
ফুলবাড়ীর বাসিন্দা প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য অটল দাসের মেয়ে পিঙ্কির সঙ্গে বিয়ে হয় দুলাল কুড়ির ছেলে শুভঙ্কর কুড়ির সঙ্গে।
মেয়ের বাবার বাড়ির লোকেদের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকে নানা কারণে মেয়ের উপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালাত শশুরবাড়ির লোক। বাবার বাড়ির থেকে পন নিয়ে আসার কথা বলত। মাঝে সোনার চেন নিয়ে আনার কথা বলে।
মেয়ের বাবার বাড়িতেও আর্থিক অবস্থা ভালো না। সংসার চালাতে টোটো চালান অটলবাবু।
রবিবার রাতের ঘটনা পুলিশকে উল্লেখ করে তারা জানান, 
পনের দাবিতে বিয়ের পর থেকেই স্বামী, শশুর, শাশুড়ি, দেবর মিলে অত্যাচার চালাতো।
রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টা নাগাদ পানিকৌড়ির একজন ফোন করে জানায়, মেয়ে গুরুতর অসুস্থ। এরপর আমার ছুটে গিয়ে দেখি রাজগঞ্জের মগড়াডাঙ্গী হাসপাতালে মেয়ে মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
মেয়ের বাবার বাড়ির লোকেরা পুলিশকে আরও জানান, তাকে মেরে ঝুলিয়ে দিয়েছে। 
এই ঘটনায় তদন্ত ও অভিযুক্তদের কঠোর সাজা দাবি করেন তারা।
বিয়ের পর বছর পার না হতেই শ্বশুরবাড়ি থেকে বধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ থানার ফাটাপুকুর মনিপুরে। অতিরিক্ত পণ না দেওয়ায় শ্বশুরবাড়ির লোক ওই গৃহবধূকে খুন করেছে বলে বাপের বাড়ির অভিযোগ। গৃহবধুর স্বামীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে রাজগঞ্জ থানার পুলিশ। 
জানা গিয়েছে, গত বছর এপ্রিল মাসে শিলিগুড়ি নিউ জলপাইগুড়ি থানার পশ্চিম ধনতলার অটল দাসের মেয়ে পিংকি দাসের বিয়ে হয় ফাটাপুকুরের দুলাল কুড়ির ছেলে শুভঙ্কর কুড়ির সঙ্গে। শুভঙ্কর সবজির দোকান করে এবং সে ফুটবল খেলার সঙ্গে যুক্ত। 
পিংকির বাবা সহ পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের সময় জামাইয়ের পরিবার কোনো পণ দাবি করেনি। তবুও বিয়ের সময় দুই লক্ষ টাকা ও কিছু সোনার অলংকার দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিয়ে হওয়ার পর থেকেই অতিরিক্ত পণের দাবিতে পিংকির উপর অত্যাচার করত। এমনকি রুপশ্রীর টাকা জামাইকে না দাওয়ায় মেয়েকে ব্যাপক মারধর করেছে। মেয়ের শ্বশুর বাড়ির লোকের দাবি মতো পণ না দেওয়ায় পিংকিকে মেরে ফেলেছে বলে তার অভিযোগ।
গোটা ঘটনা জানিয়ে জামাইসহ শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে রাজগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন পিংকির বাবা অটল দাস। 
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।