রবিবার কৃষ্ণনগরে ভোটের প্রচার শুরু করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরই মধ্যে তিনি খবর পান, ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছে জলপাইগুড়ি।
আহত হয়েছেন দুই শতাধিক বাসিন্দা। হঠাৎ বিধ্বংসী ঝড়ে প্রাণ হারায় চারজন।
একথা জানার পর সিদ্ধান্ত নেন আজই যাবেন জলপাইগুড়ি । ঝড়ে মৃতদের পরিবার এবং আহতদের সাথে কথা বলবেন। রবিবার রাত বারোটায় পৌঁছান জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হসপিটালে।
ততক্ষণে হসপিটালে ১৬৬ জন আহতদের চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়েছে। হসপিটালে ঢোকার আগেই জলপাইগুড়ির পাহাড়পুরে এবং সেন পাড়ায় মৃতদের পরিবারের সাথে কথা বলেন সমবেদনা জানান মুখ্যমন্ত্রী। হসপিটালে আহতদের সাথে কথা বলার পর রাত প্রায় একটা নাগাদ
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান বিধ্বংসী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়ি থেকে শুরু করে খাওয়া-দাওয়া সবকিছুই সরকার দেখবে। সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার পর মুখ্যমন্ত্রী রাতেই ময়নাগুড়ির বার্নিশের উদ্দেশ্যে রওনা হন। ময়নাগুড়ি ব্লকের বার্নিশেই দুজনের প্রাণ যায় ঝড়ো হাওয়ায়।
অন্যদিকে রাজগঞ্জের বিধায়ক ঝড়ো হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্তদের জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হসপিটাল এ নিয়ে আসা হচ্ছে শুনে ছুটে যান হসপিটালে, আহতদের খোঁজখবর নেন এবং আশ্বস্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী ছুটে আসছে আপনাদের জন্যই ।
আর এই খবর পেয়ে হসপিটালে ছুটে যান রাজগঞ্জের সমাজসেবী অরিন্দম ব্যানার্জি, দেবাশীষ বিশ্বাস, মাঝিয়ালীর প্রধান মুন্না দত্ত সহ আরো অনেকে।