এই অবস্থায় বাগানে কাজ করা এক শ্রমিককে কিছু জমি মাফিয়া হাতে লাঠি সটা নিয়ে দলবল মিলে প্রাণ নাসের হুমকি দিয়ে যায় বাগান মালিক ও শ্রমিকদের। তার পরেই রাজগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ক্ষুদ্র চা চাষী গৌতম সিদ্ধা। এই বিশয়ে চা বাগানের মালিক গৌতম সিদ্ধা জানায় বার বার জমিটি জোর করে নিয়ে নেওয়ার জন্য অনবরত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে কিছু জমি মাফিয়া। আমাকে যখন তখন মেরে ফেলার হুমকি দেয়। শুধু বাগানে এসে নয় ফোনের মাধ্যমে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এলাকার কিছু জমি মাফিয়া জোর করে বাগানটি নিয়ে নেওয়ার কৌশল করছে। আমি রাজগঞ্জ থানায় লিখিত আকারে জানানোর পরও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এইভাবে চলতে থাকলে আমার আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে হবে। আমার আত্মহত্যার জন্য দায়ী হবে জমি মাফিয়া ও পুলিশ প্রশাসন। আমার বাগানটি এক মাত্র সম্বল। বাগান নিয়ে নিলে আমি কি ভাবে চলব। আর সেই কারনে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হবো। এই বাগান থেকে জা আয় হয় তা দিয়ে সংসার চালাই আমি। দীর্ঘ দিনধরে জমি দেবার জন্য চাপ তৈরি করেছে। আমি রাজি না হবায় আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। আমি চাই প্রশাসন বিশয়টি দেখে ব্যবস্থা নিলে খুব উপকার হব। অন্য দিকে এই বিশয়ে বিন্নাগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সমিজুউদ্দিন আহমেদ জানায় এই ধরনের কথা আপনাদের থেকে শুনতে পেলাম। আমি চা বাগানের মালিকের সাথে কথা বলবো, দরকার হলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলবো।
অপরপক্ষে পরিমল দে ও বাপ্পা দে বলেন আমাদের জমিতে আমরা কাজ করতে গেলেই উনারাই আমাদের মারতে আসেন, আমার সাথে কেউ গেলে তার নামেও কেস দেন অকারনে, আমার বাবার ৭০ বছর বয়স তার নামও শিলতাহানির় কেস দিয়েছে। আমরা জমি মাফিয়া নই, দীর্ঘদিন আগেই এই জমি আমরা কিনেছি । আমাদের জমিতে কাজ করতে গেলেই উনারা তেরে আসে মারতে,এখন মনে হচ্ছে উনাকে ছাড়া আমরা কাউকেই আমাদের জমি বিক্রি করতে পারব না। তিনি আরো জানান গৌতম সিধা আইন মানেন না, পুলিশ মানেন না,কোর্টের অর্ডার মানেন না।উনার আমিন নিয়ে এসে মাপামাপি হোক। মাপামাপির পর যদি দেখা যায় আমার জমি নেই তাহলে আমি উনাকে এই ছেড়ে দেব।