আন্তর্জাতিক ডেস্ক:রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বাংলাদেশে ফের তীব্র আলোচনায় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ। তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের পরই মুহাম্মদ ইউনুস-এর তদারকি আমলে থাকা একাধিক উপদেষ্টার বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের দুর্নীতির অভিযোগ ও দাবি সামনে আসছে। অভিযোগগুলি তদন্তসাপেক্ষ—তবু রাজনৈতিক মহলে চাপ বাড়ছে।
সূত্রের দাবি, আইন-শাসন, পরিবেশ ও সংস্কৃতি-সহ বিভিন্ন দপ্তরের কিছু সিদ্ধান্ত ও লেনদেন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগের তালিকায় একাধিক উপদেষ্টার নাম আলোচনায় এসেছে; বিশেষ করে আর্থিক লেনদেনের স্বচ্ছতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে জোরালো অনুসন্ধানের দাবি উঠছে।
💰 বিপুল অঙ্কের লেনদেনের অভিযোগ
রাজনৈতিক সূত্রে বলা হচ্ছে, এক বিশেষ সহকারীর বিরুদ্ধে কয়েকশো কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তিনি দেশ ছেড়েছেন বলেও খবর রটেছে; দ্বৈত নাগরিকত্বের সুবিধা নিয়ে বিদেশে অবস্থানের কথাও শোনা যাচ্ছে—যা যাচাইয়ের দাবি আরও জোরদার করেছে।
⚖️ বিতর্কিত সিদ্ধান্তের পুনর্মূল্যায়ন
পূর্ববর্তী সময়ে নেওয়া কিছু প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আগেও বিতর্ক ছিল। এখন প্রশ্ন উঠছে, সেই সিদ্ধান্তগুলির আড়ালে আর্থিক স্বার্থ জড়িত ছিল কি না—তা নিরপেক্ষ তদন্তে খতিয়ে দেখা হোক।
তহবিল ব্যবহারে স্বচ্ছতা
পরিবেশ ও জলবায়ু সংক্রান্ত তহবিলের ব্যবহার, সরকারি সম্পদ বিক্রি ও প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম হয়েছে কি না—এ নিয়েও অনুসন্ধানের দাবি তুলছেন বিশ্লেষকেরা।
রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও প্রতিক্রিয়া
নতুন সরকারের পক্ষ থেকে ‘স্বচ্ছতা’ ও ‘ন্যায়বিচার’-এর প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তদের তরফে এখনও বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া না আসায় জল্পনা বাড়ছে।
সব মিলিয়ে, বাংলাদেশ-এর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই অভিযোগগুলি কোথায় গড়ায় এবং কী ধরনের তদন্ত ও পদক্ষেপ নেওয়া হয়—সেদিকেই এখন নজর।